পাঁচ দলের অংশগ্রহণে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ মাঠে গড়ানোর কথা ছিল ১৫ নভেম্বর। বিসিবি সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। তবে পূর্বনির্ধারিত সময়ে টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে না। অন্তত এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাচ্ছে টুর্নামেন্ট।
মঙ্গলবার মিরপুর স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। পাঁচ দলেরই স্পন্সর পেতে আশাবাদী বিসিবি। দরপত্র আহ্বানের পর স্পন্সরদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেয়েছেন বলে দাবি এই কর্মকর্তার। দ্রুতই টুর্নামেন্টের রূপরেখা জানাবে বিসিবি।
বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের বিলম্বিত শুরুর বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘পিছানোর না, আমাদের যেভাবে প্লান করা আছে যে, নভেম্বরের ২০ তারিখের দিকে, এর মধ্যেই আমরা শুরু করব। ২০, ২১, ২২ এর মধ্যে কোন একটা সময়, আমরা প্লান করেই এগোচ্ছি। সেভাবেই আমরা চাচ্ছি যে শিডিউলটা, যতটুকু সময় পাওয়া যায় এর মধ্যে মাঠ ও অন্যান্য কিছু ব্যাপার আছে। সবকিছু বিবেচনা করেই আমরা এগোচ্ছি।’
আরো পড়ুন : ওসি প্রদীপের পদোন্নতি নিয়ে লিগ্যাল নোটিশ
স্পন্সরদের সাড়া পাওয়া সম্পর্কে নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ লিগের স্পন্সর চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছি এবং আমরা আশাবাদী যে শিগগিরই বিষয়টাকে আমরা ক্লোজ করে ফেলতে পারব। সাড়া পেয়েছি আমরা। আশানুরূপেই সাড়া পেয়েছি। সে ব্যাপারে আমরা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। আমরা চেষ্টা করব আমাদের পাঁচটা স্পন্সরই কনফার্ম করে, তারপর আমরা ঘোষণা দেব।’
বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের মতোই বিদেশি কোচদের জন্য কোয়ারেন্টাইন ও স্বাস্থ্যবিধি অবলম্বন করবে বিসিবি। করোনাকালে এসব টুর্নামেন্ট আয়োজনের সামগ্রিক পরিকল্পনাই মূলত আন্তর্জাতিক সিরিজকে কেন্দ্র করে। জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজ আয়োজনের পরীক্ষা হিসেবেই দেখছে বিসিবি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার দিক নির্দেশনা, চ্যালেঞ্জগুলো পরখ করার সুযোগ পাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘আমরা যে টুর্নামেন্টটা ইতোমধ্যে করেছি, যদিও চ্যালেঞ্জিং ছিল তবুও আমরা সফলভাবে করেছি এবং সে ক্ষেত্রে এটার ভিউয়ারশিপ এবং সবকিছু বিবেচনা করে কিন্তু আমরা মনে করি যে এটাই আমাদের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট ফেরার জন্য আমাদের কাছে একটা দিকনির্দেশনা আমরা পেয়েছি, কিভাবে এবং কি সমস্ত চ্যালেঞ্জ আমাদের সামাল দিতে হচ্ছে।’
ইত্তেফাক/ইউবি
