সৌদি আরবের বাণিজ্য নগরী জেদ্দায় শুরু হয়েছে খাদ্যপণ্য বিষয়ক মেলা 'ফুডেক্স সৌদি ২০১৮'। গত ১২ নভেম্বর জেদ্দার সেন্টার ফর ফোরামস অ্যান্ড ইভেন্টস-এ শুরু হয় ৪দিনব্যাপী ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফুডেক্স মেলা। মেলায় ৫২টি দেশের প্রায় পাঁচ শতাধিক ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করে।
গত সোমবার প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন নাওয়াফ মেলা উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহায়তায় ও বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উদ্যোগে বাংলাদেশের ৭টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিষ্ঠানগুলো হল, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, অভিজাত ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, ইউরেশিয়া ফুড প্রসেসিং, এনা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি, এলসন ফুডস, প্রিন্স ফুড ও নোয়া ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড।
জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এফ এম বোরহান উদ্দিন মেলায় বাংলাদেশের স্টলসমূহ পরিদর্শন করেন। এ সময় কনসাল জেনারেল বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশী খাদ্য পণ্যের চাহিদা রয়েছে এবং তা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশী পণ্যের গুণগত মান বিশ্বমানের এবং আশা করা যায় মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সৌদি আরবে বাংলাদেশী খাদ্য পণ্যের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশ দুতাবাসের ইকোনমিক মিনিস্টার ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান ফুডেক্স মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশী খাদ্য পণ্যের চাহিদা শুধু বাংলাদেশী অভিবাসীগণের কাছেই নয় বরং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অভিবাসীদের কাছেও রয়েছে। এছাড়া সৌদিদের কাছেও বাংলাদেশী খাদ্য পন্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সৌদি আরব প্রায় ৮০ শতাংশ খাদ্য পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে তাই এখানে বাংলাদেশী খাদ্য পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। ২০২০ সাল নাগাদ সৌদি আরবে খাদ্য পণ্য ও বেভারেজ আমদানির পরিমান প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন রিয়ালে পৌঁছাবে।
মেলায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ২০০ জন শেফ নিয়ে ১৭ টি ক্যাটাগরীতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশী অভিবাসীগণ ও বিভিন্ন দেশের দর্শকগণ মেলায় বাংলাদেশের প্যভিলিয়ন পরিদর্শন করেন।
ইত্তেফাক/নূহু
