বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনের ধারা কেন বাতিল নয় :হাইকোর্ট

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২০, ০০:২৪

নারী ও ১৩ বছরের ঊর্ধ্বে কিশোরীদের বৈবাহিক ধর্ষণ অনুমোদনকারী আইনের ধারাসমূহ বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। রুলে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারাসমূহ বাতিলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বিবাদীদের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। চারটি মানবাধিকার সংস্থার দায়েরকৃত রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী জেড আই খান পান্না, সারা হোসেন, শারমিন আক্তার শুনানি করেন।

গত ২৫ অক্টোবর টাঙ্গাইলে ১৪ বছরের এক শিশুর বিবাহ পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কোনো নারীরই বৈবাহিক ধর্ষণ কাম্য নয়। যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে তা অবশ্যই অপরাধের আওতায় আনতে হবে। এ ঘটনা উল্লেখ করে হাইকোর্টে রিট করেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), ব্র্যাক, নারীপক্ষ এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। রিটে দণ্ডবিধির ৩৭৫ ও ৩৭৬ ধারা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারা চ্যালেঞ্জ করা হয়। ঐ রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে নারী ও ১৩ বছরের ঊর্ধ্বে কিশোরীদের বৈবাহিক ধর্ষণ অনুমোদনকারী আইনসমূহ যা বৈষম্যমূলক এবং বিবাহিত নারী ও কিশোরীদের মৌলিক অধিকার সমতা, বৈষম্যহীনতা, আইনের সুরক্ষা, জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারের সুরক্ষা ক্ষুণ্ন করে, তা কেন বাতিল হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।