কুমিল্লার ময়নামতি-লালমাই পাহাড়ের আবিষ্কৃত প্রত্ননিদর্শনের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো শালবন বিহার। এখানে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী এলেও তাঁদের জন্য নেই অবকাঠামোগত সুবিধাসহ নিরাপত্তা। শুকনো মৌসুমে ভ্রমণপিপাসুরা ঝড়-বৃষ্টি থেকে রেহাই পেলেও বৃষ্টির সময় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। দর্শনার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র আটটি টয়লেট। নেই আশ্রয়কেন্দ্র, বিশ্রামাগার বা পানির সুবিধা। ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুদের প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শালবন বিহার এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন করা যায় দর্শনার্থীদের কাছে টিকেট বিক্রির টাকা থেকে। টয়লেটের সঙ্গে থাকা একটি বেসিন দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত, আর কে বা কারা খুলে নিয়েছে আয়নাটি। শালবন বিহারের পূর্বদিকের সীমানা প্রাচীর টপকে প্রতিদিনই স্থানীয় সালমানপুর এলাকার বেশ কিছু বখাটে ভেতরে প্রবেশ করে নানা অনাসৃষ্টি করে। বিকেল ৫টার পর শালবন এলাকা নীরব হয়ে পড়ে। আর সেই সুযোগটাকে কাজে লাগায় একশ্রেণির বখাটে ও মাদকসেবী। সম্প্রতি কে বা কারা বিহারের পূর্বপাশে দুটি অংশের বেশ কিছু সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলায় ভাঙা অংশগুলো টিনের বেড়া দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর পূর্বদিকের উত্তর অংশের সীমানা প্রাচীরের বেশ কিছু অংশ ভেঙে পড়ে। পরিশেষে, শালবন বিহার এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করাসহ ইভটিজিং বন্ধ ও রাতের বেলা মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ বন্ধের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মামশাদ কবীর
কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
