দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৭৭ একর জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় কুমিল্লা বিমানবন্দর। ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত এটি আভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহূত হলেও অজানা কারণে একসময় বন্ধ হয়ে যায়। যার পরিত্যক্ত রানওয়েতে বর্তমানে কার ও বাইক চালনায় আগ্রহীরা প্রশিক্ষণ নেন। যদিও এর সিগন্যাল ভিওয়্যারের মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করছে সরকার। তবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এটি চালু এখন সময়ের দাবি। ঢাকা-চট্টগ্রামের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এমনকি এর পাশে রয়েছে দেশের অষ্টম ইপিজেড। বিমানবন্দর চালু হলে বিদেশি বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও পরপর তিনবার রেমিট্যান্স প্রদানে দেশসেরা হয়েছে কুমিল্লার প্রবাসীরা। পার্শ্তবর্তী জেলাগুলোতেও রয়েছে অনেক প্রবাসী। বিমানবন্দরটি চালু হলে স্বল্প সময়ে যাতায়াত ও প্রাসঙ্গিক অনেকগুলো বিষয়ে খুব বেশি উপকৃত হবে বৃহত্তর কুমিল্লার প্রবাসীরা। তাই এই জেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি—কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হোক।
মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা
