মঠবাড়িয়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এক গৃহবধূর শরীরে রক্তের ক্রসম্যাচিং ছাড়াই দেওয়া হয় অন্য গ্রুপের রক্ত। ভুল চিকিত্সার শিকার ঐ গৃহবধূ বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় গত তিন দিন ধরে খুলনার গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে রোগীর স্বজন ও উপস্থিত জনতা মিলে ঐ ক্লিনিকের মেডিক্যাল টেকনলোজিস্টকে মারধর করে।
ভুল চিকিত্সার শিকার গৃহবধূ সুরমা বেগমের ভাই মনির হোসেন জানান, বোনের চিকিত্সার জন্য শুক্রবার তাকে সাফা বাজার এলাকার মনির হোসেন সার্জিক্যাল ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ শনাক্ত করে স্বজনদের রক্তের বন্দোবস্ত করতে বলা হয়। সোমবার দুপুরে রোগীর স্বজনরা একজন রক্তদাতাকে নিয়ে আসলে ‘ক্রসম্যাচ’ না করেই সুরমাকে রক্ত দেওয়া হয়। রক্ত দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগীর অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা তার রক্ত দেওয়া বন্ধ করে দেন। পরে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে জানা যায়, সুরমার রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ। গুরুতর অবস্থায় সুরমাকে খুলনায় বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিক মনির হোসেন বলেন, রোগী ও তার স্বজনরাই জানিয়েছিল রোগীর রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ। রক্তের ক্রসম্যাচিংও মিলে গিয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত ক্লিনিকের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
