নোয়াখালী প্রতিনিধি
জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মধ্যবাগ্গায় স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনার মামলায় রিমান্ডে নেয়া আরো এক আসামি মুরাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। গতকাল সোমবার বিকালে জেলার ২নং আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নবনীতা গুহ ১৬৪ ধারায় রিমান্ডকৃত আসামি মুরাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। একই আদালত অপর দুই আসামির মধ্যে রুহুল আমিনকে কারা ফটকে দুই দিনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ এবং হাছান আলী ভুলুকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ইলিয়াছ শরীফ এ বিষয়টি নিশ্চত করে জানান, বৃহস্পতিবার মুরাদকে পাঁচদিন রিমান্ডে নেয়ার পর ৪ দিনের মাথায় সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদেও সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। গত ৬ জানুয়ারি আদালত থেকে সাতজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। অপর তিনজনের মধ্যে রুহুল আমিন ও হাছান আলী ভুলুকে পুলিশ পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড চাইলে আদালত গতকাল রুহুল আমিনকে কারা ফটকে দুদিনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ এবং ভুলুকে তিনদিনের পুলিশি রিমান্ড প্রদান করে। অপর আসামি বাদশা আলম বাসুকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
এ দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা ডিবির পরিদর্শক জাকির হোসেন জানান, মামলায় গ্রেফতারকৃত ১১ আসামির মধ্যে গতকাল সোমবার পর্যন্ত প্রধান আসামিসহ আটজন আদালতে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। মামলার এজাহারভুক্ত ২নং আসামি হানিফ, ৪নং আসামি চৌধুরী ও ৮নং আসামি মোশারফ এখনো পলাতক রয়েছে। পলাতক এ তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকতা জানান।
