উপজেলার গাংভাঙ্গা, কাটিয়াদহ, ঘুঘুদহ, মুক্তাহারসহ বিভিন্ন বিলের প্রায় পাঁচ শতাধিক একর জমিতে কচুরিপানায় ভরপুর। ফলে মাছ আহরণ করতে পারছেন না স্থানীয় মত্স্যজীবীরা। বায়া গ্রামের মত্স্যজীবী রমজান আলী জানান, কচুরিপানার কারণে মাছ ধরা যাচ্ছে না। পানি দূষিত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে। অন্যদিকে জমি লিজ রাখতে চাইলে আগে জমি থেকে কচুরি পরিষ্কারের শর্ত দেন লিজকারীরা। করমজা ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন আলী বাগচী বলেন, দ্রুতই কচুরিপানা অপসারণের ব্যবস্থা করা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম জামাল আহমেদ বলেন, শুষ্ক মৌসমে কচুরিপানা পরিষ্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
