গাজীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক সন্দেহে রাজিব (১৮) নামের এক যুবককে পিটিয়ে মহানগরীর কড্ডা ব্রিজ থেকে তুরাগ নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে এক ব্যক্তি। এ ঘটনার চার দিন পর ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় নদী থেকে নৌপুলিশ অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। স্বজনেরা মর্গে গিয়ে অজ্ঞাত লাশটি রাজিবের বলে শনাক্ত করেন। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সাব্বিরসহ (২৬) এজাহারভুক্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। সাব্বির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ডিবি উত্তর ও মিডিয়া) জাকির হাসান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
নিহত রাজিব গাজীপুর মহানগরীর মুন্সীপাড়া এলাকার মনু মিয়ার ছেলে। সাব্বির পটুয়াখালী সদরের গোপখালী এলাকার বশির উদ্দিনের ছেলে। সে গাজীপুরের তাকওয়া পরিবহনের বাসচালক। এছাড়া আটক অপরজন গাজীপুর সিটির ভোরা এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪৫)।
পুলিশ জানায়, গত ২৫ অক্টোবর মনু মিয়া জিএমপি সদর থানায় অভিযোগ করেন, তার ছেলে রাজিব ১৬ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশ তদন্তপূর্বক গত ২৭ অক্টোবর সাব্বিরকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির স্বীকার করে যে তার স্ত্রীর (২১) সঙ্গে রাজিবের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। ঐ রাতে রাজিবকে ফোনে ডেকে নিয়ে হেলপার মেহেদীর সহায়তায় হত্যা করে তার লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সাব্বির গত ৩০ অক্টোবর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ডিসি (ডিবি উত্তর ও মিডিয়া) জাকির হাসান জানান, অপর আসামি মেহেদীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
