মো. আসাদ-উজ্জামান জুয়েল শিক্ষক
সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
প্রতিবর্ত ক্রিয়া:যেসব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। প্রতিটি প্রতিবর্ত চক্রের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা-১। গ্রাহক যন্ত্র
২। অনুভূতিবাহী স্নায়ু
৩। প্রতিবর্ত কেন্দ্র
৪। আজ্ঞাবাহী স্নায়ু
৫। সাড়ার অঙ্গ
ব্যাখ্যা:কোনো কারণে হাতে পিন ফুটলে তাত্ক্ষনিকভাবে হাত অন্যত্র সরে যায়।
এটি একটি প্রতিবর্ত ক্রিয়া। এ ক্রিয়াটি যেভাবে ব্যাখা করা যায় তা হলো:
হাতের চামড়ায় পিন ফোটামাত্র গ্রাহক যন্ত্র পিন ফোটার যন্ত্রণা গ্রহণ করে।
এই যন্ত্রণাদায়ক তাড়না অনুভূতিবাহী স্নায়ুর মাধ্যমে প্রতিবর্ত কেন্দ্রে পৌঁছায়।
প্রতিবর্ত কেন্দ্র প্রতিবেদন সৃষ্টি করে আজ্ঞাবাহী স্নায়ুকে প্রেরণ করে।
আজ্ঞাবাহী স্নায়ু উক্ত বেদনা সারার অঙ্গ অর্থাত্ পেশিতে প্রদান করে।
এতে পেশি সংকুচিত হয় এবং যন্ত্রণার উত্স থেকে হাত সরিয়ে দেয়।
গুরু মস্তিষ্ক লঘু মস্তিষ্ক
১। অগ্র মস্তিষ্কের অংশ।
২। গুরু মস্তিষ্ক বৃহদাকার।
৩। গুরু মস্তিষ্ক পাঁচটি খণ্ডক নিয়ে গঠিত।
৪। বুদ্ধি, চিন্তা ও স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করা এর কাজ। ১। পশ্চাত্ মস্তিষ্কের অংশ।
২। লঘু মস্তিষ্ক অপেক্ষাকৃত ছোট।
৩। লঘু মস্তিষ্কে কোনো খণ্ডক থাকে না।
৪। প্রাণিদেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করা এর কাজ।
