বন্যা ও টানা বৃষ্টির প্রভাব
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
সাম্প্রতিক বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে মির্জাপুর পৌরসভার বিভিন্ন সড়কের পিচ খোয়া উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সংযোগ সড়কের মাটি দেবে বিভিন্ন ব্রিজ ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে কুমুদিনী হাসপাতাল রোড, কালিবাড়ি রোড থেকে মির্জাপুর বাইপাস ও বাইপাস থেকে ত্রিমোহন-বংশাই রোডের খুবই করুন দশা। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপর কখনো হাটু পানি আবার কখনো কোমর পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় পৌরবাসী। তারা দ্রুত সড়ক ও ব্রিজগুলো সংস্কার করে তাদের দূর্ভোগ লাঘবের দাবি জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার এছাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের পুষ্টকামুরী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বন্যার পানিতে ব্রিজ সংলগ্ন মাটি ধসে গেছে। কিছু অংশ এখনো পানির নিচে তলিয়ে আছে। আর সেখান দিয়ে ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্থানীয়রা। এছাড়া সড়কের বিভিন্নস্থানের পিচ খোয়া উঠে গেছে। বর্ষায় এসব স্থানে পানি জমে ভোগান্তি দ্বিগুণ করে। একই চিত্র দেখা যায় পৌরসভার কলেজ রোড, থানা রোড, বাওয়ার রোড, ইউনিয়নপাড়া রোড, বংশাই রোড, কালিবাড়ি রোড, মসজিদ রোডসহ বিভিন্ন সড়কে। এছাড়া পুষ্টকামুরী, বাওয়ার কুমারজানি, সরিষাদাইর, আন্ধরা, বাইমহাটি ও সাহাপাড়াসহ একাধিক এলাকার সড়ক ও ব্রিজের অবস্থাও করুন।
পৌরসভার বাসিন্দা কামরুল হাসান, মো. ইসলাম মিয়া লিটন মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে গত কয়েক মাসের বন্যা এবং টানা বৃষ্টিতে পৌরসভার অধিকাংশ সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙ্গে চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, এ বছরের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় প্রায় ১৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে পৌরসভার মেয়র সালমা আক্তার শিমুল বলেন, বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে ব্রিজ-কালভার্টসহ অধিকাংশ রাস্তা-ঘাট বেহাল হয়ে পড়েছে। এসব সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে প্রতিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্ধ চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, এডিবি, জাইকা ও বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্ধ পেলে উন্নয়ন কাজ করা হবে।
