রোটারেক্টরা লেখাপড়ার পাশাপশি বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে থাকে এবং সদস্যদের নেতৃত্ব অর্জনে সদস্যদের ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করে। সর্বোপরি সমাজে কম ভাগ্যবান মানুষের জন্য ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে রোটারেক্ট ক্লাব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি
জয়নাল আবেদিন
থালা-বাসন, পাতিল-খুন্তি সবই নিজেদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হতো। নিজেদের তৈরি চুলা, ফুঁকনি দিয়ে ফুঁ, অতঃপর ঘাম ঝরিয়ে রান্না। শৈশবের সেই রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফিরে পেতেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোটারেক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে আয়োজন করে চড়ুইভাতি।
‘ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রাখিব অটুট’— এই স্লোগানে খেলি জুল্লাবাতি, সামাজিক বনায়নে একে একে আসতে শুরু করে রোটারেক্টরা। তবে মুহূর্তেই হুল্লোড়ে সরগরম হয়ে উঠে সামাজিক বনায়ন। নাচ-গান আড্ডায় দিনব্যাপী উদযাপন করে চড়ুইভাতি। এই দিনটি ছিল নতুন-পুরাতন রোটারেক্ট বন্ধু ও আমন্ত্রিত অতিথিদের মিলনমেলা। চড়ুইভাতির মূল আকর্ষণ ছিল সবার অংশগ্রহণে তৈরি করা মজাদার খাবার, বিভিন্ন ধরনের মজাদার খেলা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন প্লাটফর্ম-এর সদস্যদের গানে প্রাণবন্ত করে তোলে আসর ও সবার শেষে র্যাফেল ড্র’ই আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি আসাদুজ্জামান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, রোটাবর্ষের ইলেক্ট সভাপতি ফয়সাল আহমেদ, ইলেক্ট সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মামুন ও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পলাশ, কিশোর, পপি, তিশা, সানি, তারেক, শাহজালাল, অভি, শামীম, মৌসুমি ও মামুনসহ অনেকে।
এছাড়া ক্লাবের পক্ষ থেকে লোক প্রশাসন বিভাগের রোটারেক্টর শরীফ মাহমুদ ও রোটারেক্টর পিয়ার হোসেনকে স্নাতকোত্তর সম্মানসূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে অন্যান্য দিনের মতো একটি দিন চলে গেলেও দিনটি যেন থেকে গেল অনন্য। পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজ সেবা ও আত্ম-উন্নয়নে রোটারেক্টরা এগিয়ে যাবে বলে স্মৃতিচারণ করে আসাদুজ্জামান রুবেল।
‘ক্যাম্পাসে বন্ধুত্বের মাধ্যমে উন্নয়ন’— মূলমন্ত্র ধারণ করে রোটারেক্টরা লেখাপড়ার পাশাপশি বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে থাকে এবং সদস্যদের নেতৃত্ব অর্জনে সদস্যদের ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করে। সর্বোপরি সমাজে কম ভাগ্যবান মানুষের জন্য ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে রোটারেক্ট ক্লাব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি।
