দক্ষতা উন্নয়নে ক্যাম্পাস সংগঠন

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:০২

 

শিক্ষার্থীদের সুস্থ সংস্কৃতি, ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধি ও সৃজনশীলতা বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিকল্প হতে পারে না। সংগঠন যে কোনো শিক্ষার্থীকে সহনশীল হতে শেখায়, শেখায় একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংগঠনে কেন উদ্বুদ্ধ হয়, কী শেখে তা নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি সংগঠনের বর্তমান প্রধানদের নিয়ে লিখেছেন— সজীব বণিক

ওবায়দুল হক অভি

সভাপতি, সায়েন্স ক্লাব, কুবি

বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম করে আসছে সায়েন্স ক্লাব। প্রতিবছর সায়েন্স ফেস্টিভ্যাল, রোবটিকস ওয়ার্কশপ, ক্যারিয়ার আড্ডা, আকাশ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প, স্কুলে স্কুলে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণসহ বিভিন্ন আয়োজন করে যাচ্ছে এ সংগঠনটি। এ সব আয়োজনের মাধ্যমে বিজ্ঞান চর্চার এক উন্মুক্ত প্লাটফর্ম কুবি সায়েন্স ক্লাব যেখানে কুবির যে কোনো শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন চিন্তা-ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারছে। স্কুল শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে ছোটদের বিজ্ঞানমুখী করা এবং বিজ্ঞান শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার সুযোগ রয়েছে। রোবটিকস নিয়ে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সায়েন্স ক্লাবের রোবটিকস উইং কাজ করে যাচ্ছে।

 

আদনান কবির সৈকত

সভাপতি, ডিবেটিং সোসাইটি, কুবি

রাষ্ট্র কিংবা ব্যক্তিজীবনে আত্মবিশ্বাসী ও যুক্তিবাদী তরুণসমাজের গুরুত্ব অপরিসীম। বিতর্ক একটি শিল্প; যার দ্বারা শিক্ষার্থীরা নিজেদের উপস্থাপনা ও যুক্তিপ্রদানের যোগ্যতাকে শানিত করার সুযোগ পায়। যথাযথ যুক্তির আলোকে বিতর্ক শিক্ষার্থীদের শেখায় গুছিয়ে কথা বলার দক্ষতা, শেখায় বাচনভঙ্গি ও ভাষার যথোপযুক্ত ব্যবহার। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এ যুক্তিনির্ভর চর্চার সুযোগ তৈরি করে দেয়ার কাজটিই করে যাচ্ছে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি। বিতার্কিক এবং বিতর্কপ্রেমীদের জন্য প্রতিবছর আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ডিবেটার সার্চ প্রোগ্রাম ডিবেট টুর্নামেন্টসহ নিয়মিত কর্মশালার আয়োজন করা হয়ে থাকে। 

 

সাইয়েদ মাখদুম উল্লাহ

সভাপতি, আইটি সোসাইটি, কুবি

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির বিবিধ ব্যবহার, প্রশিক্ষণে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করার বিকল্প নেই। তাই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কোনো শিক্ষার্থী যেন প্রযুক্তিতে পিছিয়ে না পড়ে তারই লক্ষ্যে কাজ করছে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি’। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এসে যেন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন তথ্যের মাধ্যমে নিজেদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে অবদান রাখতে পারে সেদিকে কাজ করে যাচ্ছে এ সংগঠনটি। মাইক্রোসফট অফিস, পিসি ম্যাইন্টেনেন্স, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইত্যাদির মতো আইটির মৌলিক বিষয়গুলো থেকে শুরু করে একদম উচ্চপর্যায়ের যেমন আইওটি, ক্লাউড কম্পিটিং, প্রোগ্রামিং, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সসহ সাইবার সিকিউরিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে শিক্ষার্থীরা কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।