পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘আমেরিকার নতুন নেতৃত্ব ভৌগলিক ও উদীয়মান দেশ হিসেবে গ্রহণ করে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেবে।’ সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাইডেন প্রশাসন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরো শক্তিশালী ভূমিকা প্রত্যাশা করেন বলে জানান মন্ত্রী। গতকাল রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের কাছ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ আছে :পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পালাবদলে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না বরং সামনের দিনগুলোতে আরো গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ আছে বলে মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মাদ শাহরিয়ার আলম।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে দুই দেশের সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হবে না। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, মুক্তবাণিজ্য ইত্যাদি ইস্যুতে আমাদের যে প্রত্যাশা সেই অনুযায়ী নতুন প্রশাসন কাজ করবে।’
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীর প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনে যে পরিবর্তনই হোক না কেন, কোনো খুনিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো আশ্রয় দেবে না। এ দাবি অতীতেও ছিল এবং সামনের দিনগুলোতেও থাকবে।’
