প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২০, ২১:১৮

রামগতি পৌরসভা নির্বাচন

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠছেন নেতাকর্মীরা। মেয়র এবং কাউন্সিলর পদে অনেকেই সম্ভাব্য প্রার্থী হতে প্রস্তুতি নিয়ে শুরু করেছেন পৌর এলাকায় গণসংযোগ। চলমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। সূত্র জানায়, কমিশন এ মাসের মধ্যে অথবা ডিসেম্বরে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে। ইতিমধ্যে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন পেতে ঘরোয়া বৈঠকসহ সাংগঠনিক তত্পরতা বাড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা। রামগতি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন তারা হলেন—বর্তমান মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক এম মেজবাহ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাছের, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন হেলাল, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মো. রাকিব, সোয়াইব হোসেন খন্দকার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেছ মোল্লা। এছাড়া গত পৌরসভার নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে লাঙ্গল মার্কা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন সাবেক মেয়র আজাদ উদ্দিন চৌধুরী। আওয়ামী লীগের কোন ইউনিটে তার পদ-পদবি না থাকলেও তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হচ্ছেন—উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সাহেদ আলী পটু, সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর কাউন্সিলর মুর্তাজা আল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবি আবদুল্যাহ। এদিকে, এ পৌরসভায় কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গণসংযোগ শুরু করেছেন। প্রার্থীদের তালিকায় বর্তমান কাউন্সিলরের পাশাপাশি সাবেক কাউন্সিলর ও অন্যান্য নতুন মুখও রয়েছেন। ঐসব প্রার্থী আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অন্যান্য দলের সমর্থন পেতে জোর তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ বলেন, পৌরসভার মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হবে। জেলা-উপজেলা এবং সংশ্লিষ্ট পৌরসভার আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মিলিয়ে ছয় সদস্যের স্থানীয় মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী ঠিক করে মনোনয়নের সুপারিশ পাঠাবে কেন্দ্রে। আর প্রার্থী বাছাইয়ের এই প্রক্রিয়ায় ভোটাভুটিও নেওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ওয়ার্ড, পৌরসভা ও উপজেলা কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের অংশগ্রহণে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার বিচারে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম কেন্দ্রে পাঠানো হবে। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। আওয়ামী লীগের কোন ইউনিটে পদ-পদবি নেই এমন ব্যক্তিকে মনোনয়নের জন্য সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ নেই বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে এই পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।