বসন্ত এলেই শিমুলগাছ এবং পলাশগাছের রং পরিবর্তন হয়। পুরো গাছজুড়ে লাল আর হলুদ ফুলের সমারোহ জানান দেয় ভালোবাসায় অবগাহনের মোক্ষম সময় এটা। এখন সেই শিমুল ও পলাশ গাছ গ্রামেও দেখতে পাওয়া যায় না তেমন। বড় বড় পাতার পলাশগাছ আর চিকন পাতার শিমুলগাছের সৌন্দর্য লেগে থাকে সারা বছর। এদের ওষুধিগুণও কম নয়। শিমুলগাছের ছাল রক্ত আমাশয় ও ঘা নিরাময়ে খুব উপকারী। তুলার চাহিদা মেটাতে শিমুলের ভূমিকা অনেক। পলাশগাছ যেমন সৌন্দর্যবর্ধক, তেমনি এর ফুল খাওয়াও যায়। পলাশ ফুলের বড়া ভেজে ভাতের সঙ্গে অন্য রকম স্বাদের আভিজাত্য দেয়। অথচ দুটি বৃক্ষই এখন বিলুপ্তির পথে। যে বৃক্ষগুলো কমে যাচ্ছে, সেগুলো বেশি করে রোপণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। আমার বাড়িতে দুটি শিমুলগাছ ও একটি পলাশগাছ আছে। এই গাছগুলো সুন্দরের প্রতীক নিঃসন্দেহে। শিমুল ও পলাশ গাছের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সাঈদ চৌধুরী
মাওনা, শ্রীপুর, গাজীপুর
