শৈশব পেরিয়ে যখন একটি শিশু কৈশোরে পা রাখে, তখন হরমোনজনিত নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন সাধিত হয়। এ সময় সে কাছের মানুষ অর্থাত্ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে আদর ও খেয়াল পেতে চায়। বাবা-মায়ের উচিত বন্ধুসুলভ আচরণ করা ও খোলামেলা আলোচনা করা, তার ইচ্ছা এবং মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া, সন্তান কাদের সঙ্গে মিশছে এই বিষয়গুলো অনুধাবন করা। এই বয়সে কিশোর-কিশোরীরা বন্ধুদের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্ররোচিত হয়। অনেক সময় আবার আকস্মিক মানসিক পীড়ায় কচিমনে ট্রমা সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে তাদের সুষ্ঠু মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই তাদের মস্তিষ্কের সুষ্ঠু বিকাশ ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বাবা-মায়ের বন্ধুসুলভ আচরণ করা অতি জরুরি।
মো. নাজমুল হোসাইন
শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
০
