মির্জাপুরে বংশাই-লৌহজং নদীর দুই পাড়ে শুরু হয়েছে ভাঙন। বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে গত ১০/১২ দিন ধরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, রাস্তাঘাট, ব্রিজ ও ফসলি জমি। ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ ও জামুর্কি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল বৃহস্পতিবার জানান, বন্যার পানি কমতে শুরু করায় বংশাই ও লৌহজং নদীর ফতেপুর, হিলড়া আদাবাড়ী, থলপাড়া, বৈন্যাতলী, চাকলেশ্বর, গোড়াইল, গাড়াইল, পুষ্টকামুরী পূর্বপাড়া, বাওয়ার কুমারজানি, ত্রিমোহন, বান্দরমারা, যুগীরকোপা, রশিদ দেওহাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। এছাড়া লৌহজং নদীর মাঝালিয়া, গুনটিয়া, চুকুরিয়া, বরাটি, দেওহাটা, কোর্ট বহুরিয়া, বহুরিয়া, কামারপাড়া, নাগরপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় নদীর ভাঙনে বহু পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান এবং টাঙ্গাইলের সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তা ও ব্রিজের প্রকল্প তৈরি করে বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার দ্রুত সংস্কার করা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক মোস্তাকিম বলেন, নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
