স্পোর্টস রিপোর্টার
তাকে বাংলাদেশের নির্বাচকরাও ভবিষ্যত সম্পদ বিবেচনা করেন। সেই বিবেচনাতে এই সিলেটেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি আর্ন্তজাতিক টি-টোয়েন্টি খেলানো হয়েছিলো এই তরুণ স্পিনারকে। সেই ম্যাচে ভালো কিছু করতে না পারলেও গতকাল আরেকবার নিজের উপস্থিতিটা জানান দিলেন মেহেদী হাসান।
লো স্কোরিং ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া বোলিং করলেন। ২২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সিলেটকে ৬৮ রানে অলআউট করায় নেতৃত্ব দিলেন মেহেদী। সিলেটের বিপক্ষে মেহেদীর দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স পেয়েছে ৮ উইকেটের জয়।
সিলেটকে এতো কম রানে আটকে রাখার পরও কুমিল্লার শুরুতে নার্ভাস ভাবটা ছিলো। মাত্র ১০ রানে হারিয়ে ফেলেছিলো দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও তামিম ইকবালের উইকেট। এরপর ইমরুল কায়েস ও সামসুর রহমান শুভ কুমিল্লাকে সহজেই জয় এনে দেন।
নিজের প্রথম ওভারেই ত্রাস ছড়িয়ে দেন মেহেদী। প্রথম বলে বাউন্ডারি হজম করার পর দ্বিতীয় বলেই আন্দ্রে ফ্লেচারকে বোল্ড করেন। এক বল বাদে পরপর আরও দুই উইকেট তুলে নেন দুই বলে। এবার বোল্ড ডেভিড ওয়ার্নার ও এলবিডব্লু আফিফ হোসেন ধ্রুব। এক ওভারে মেহেদী ৩ উইকেট নেন। এর পাশে লিমাম ডসন দুটো ও সাইফউদ্দিন একটা উইকেট তুলে নিলেন। পরে মেহেদী এসে নেন সোহেল তানভীরের উইকেটও। ফলে ২২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে সিলেট।
বিপিএলের সর্বনিম্ন স্কোর তখন ঝুঁকির মুখে। ওখান থেকে এক প্রান্তে দাড়িয়ে অলক কাপালি বিরুদ্ধ স্রোতের এক ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন ৩১ বলে। আর তাতেই যা একটু ভদ্রস্থ চেহারা পায় স্কোর বোর্ড। সবমিলিয়ে ওই অলক ছাড়া আর কেউ দুই অংকে পৌছাতে পারেননি। শেষ দিকে সিলেটের লেজ ছেটে দিতে গিয়ে ওয়াহাব রিয়াজ নেন ৩ উইকেট।
