নেত্রকোনা-১ আসনের (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) তিন বারের সংসদ সদস্য ও দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন তালুকদার হত্যারহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। আট বছর আগে ২০১২ সালে জমিসংক্রান্ত বিরোধের কারণে দ্বিতীয় স্ত্রী আয়েশা খাতুন তাকে তার পিস্তল দিয়েই খুন করেন। আয়েশা খাতুনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত মঙ্গলবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
দুর্গাপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বর্ণ কমল সেন আদালতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ২০১২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর উপজেলার বাগিছাপাড়ার বাসায় নিজ শয়নকক্ষে পিস্তলের গুলিতে খুন হয়েছিলেন জালাল উদ্দিন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, খুনের ঘটনায় সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন ধাপে ‘জালাল তালুকদার আত্মহত্যা করেছে’ বলে প্রতিবেদন দাখিল করে। ঐ প্রতিবেদন সম্পর্কে মামলার বাদী তার ছেলে শাহ কুতুব উদ্দিন রয়েল নারাজি প্রদান করেন এবং তা বাতিল করা হয়। সর্বশেষ তিন বছর আগে হাইকোর্ট নেত্রকোনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার ৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে পেশ করতে বিলম্ব হয়।
গত মঙ্গলবার দুপুরে দুর্গাপুর আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বর্ণ কমল সেনের নির্দেশে আদালত মামলার বাদীর উপস্থিতিতে তাকে এ প্রতিবেদন পাঠ করে শোনান। তদন্ত প্রতিবেদনে বাদীর কোনো আপত্তি আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে বাদী আপত্তি নাই বলে জানান এবং এই প্রতিবেদনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
