বিচারপতির কক্ষ অতিরিক্ত সচিবকে বরাদ্দ, নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ডিসিসহ দুই কর্মকর্তা

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২০, ০০:০৯

উচ্চ আদালতের এক বিচারপতি ও তার পরিবারের সদস্যদের অবহিত না করেই কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউজের একটি কক্ষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ রফিকুল ইসলামকে বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঐ কর্মকর্তা, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও নেজারত ডেপুটি কালেক্টরের (এনডিসি) বিরুদ্ধে জারিকৃত আদালত অবমাননার রুলের ওপর আগামী ১৬ নভেম্বর আদেশ দেবে হাইকোর্ট। বিচারপতি বোরহানউদ্দিন ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করে। তিন সরকারি কর্মকর্তার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক। 

পরে অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক সাংবাদিকদের জানান, বিচারপতি বোরহানউদ্দিন পরিবারসহ এক সফরে গত ২৯ অক্টোবর কিশোরগঞ্জের ইটনায় যান। তিনি কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউজে ওঠেন। ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে তাদের সার্কিট হাউজ ছেড়ে আসার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই তার জন্য বরাদ্দ দেওয়া একটি কক্ষ খালি করে সেখানে অতিরিক্ত সচিব শেখ রফিকুল ইসলামকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ কারণে বিচারপতির জিনিসপত্র সরিয়ে অন্য কক্ষে রাখা হয়। এ সময় বিচারপতি ও তার পরিবারের কেউই সেখানে ছিলেন না। তারা কক্ষে ফিরে দেখেন একটিতে তাদের মামলামাল নেই। সেখানে অন্য ব্যক্তি (শেখ রফিকুল ইসলাম) অবস্থান করছেন।

পরে ঐ বিচারপতি ঢাকায় ফিরে গত পহেলা নভেম্বর তিন জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী এবং এনডিসি মাহমুদুল হাসানকে তলব করেন। ঐ তলব আদেশে গতকাল তারা হাইকোর্টে হাজির হয়ে ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চান। আদালত তাদের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ১৬ নভেম্বর আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখেছে।