বিএনপির শাসনামলে নির্যাতনের শিকার সেই শান্তা সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাইলেন। শান্তা বর্তমানে ঢাকার আদাবর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০০৬ সালের ১২ মার্চ নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে তত্কালীন ডিসি কোহিনুর ও ডিসি মাজহার-এর হাতে তিনি নির্যাতিত হন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তার ডান কানের শ্রবণশক্তি চিরতরে বিনষ্ট হয়