রয়টার্স
এ বছর ফিলিপাইনে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় ভামকোর আঘাতে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরো অন্তত ২০ জন।
ফিলিপাইনের সবচেয়ে বড় দ্বীপ লুজন ঘূর্ণিঝড় ভামকোর আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ভূমিধসে অনেক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে, অনেক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে আরেক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘গনি’ ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছিল। গনি ছিল গত সাত বছরের মধ্যে ফিলিপাইনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। ঐ ঝড়ে ২৫ জনের প্রাণহানি হয়েছিল। গত বুধবার রাতে ঘূর্ণিঝড় ভামকো সমুদ্র থেকে উঠে এসে ?লুজন দ্বীপে আছড়ে পড়ে এবং বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত তাণ্ডব চালায়। প্রশাসন ও জরুরি উদ্ধারকর্মীরা আগেই স্থানীয়দের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য বললেও তারা বিষয়টিকে ততটা গুরুত্ব দেয়নি।
ঘূর্ণিঝড় ভামকো ফিলিপাইনে তাণ্ডব চালিয়ে এখন দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর দিয়ে ভিয়েতনামের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। ভামকো স্থানীয় সময় রবিবার ভোর নাগাদ সেন্ট্রাল ভিয়েতনামের হা তিং থেকে কোয়াং নাই প্রদেশ পর্যন্ত উপকূল রেখায় ঘণ্টায় ১৬৫ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগ নিয়ে আঘাত হানতে পারে। ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী নুয়েন সুয়ান ফুচ ঘূর্ণিঝড় ভামকোকে অত্যন্ত শক্তিশালী বর্ণনা করে ঝড়টির চলার পথে থাকা অঞ্চলের প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তার সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছেন। গতকাল শনিবারের মধ্যে ভিয়েতনাম প্রশাসনের সেন্ট্রাল ভিয়েতনামের উপকূলীয় এলাকা থেকে ৪ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কথা।
