নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
নাঙ্গলকোট সাবরেজিস্টার অফিস ভবন জরাজীর্ণ হয়েছে পড়েছে। ভবনে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারী, দলিল লেখক ও দলিল দাতা-গ্রহীতারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, এক কক্ষবিশিষ্ট জরাজীর্ণ ও স্যাঁতসেঁতে সাবরেজিস্টার অফিস ভবনের ছাদ এবং দেওয়ালের ইট, সুরকি ও পলেস্তারা খসে পড়ছে। ভবনটির পিছনের দেওয়াল ধসে পড়ায় সাবরেজিস্ট্রারের বসার স্থানের পেছনে টিন দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। পাশে বৃষ্টির পানি থেকে দলিলপত্র রক্ষায় পলিথিন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভবনের বারান্দায় টিনের বেড়া দিয়ে নকল নবিশদের দমবন্ধ পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে। সম্প্রতি ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে শিশুসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
নাঙ্গলকোট দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সোলায়মান মিয়া বলেন, সাবরেজিস্টার ভবনটি জরাজীর্ণ হওয়ায় যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণ বা অন্যত্র স্থানান্তর করা যেতে পারে।
উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার আবু বক্কর ছিদ্দীক বলেন, এ ভবনে কাজের পরিবেশ নেই। বর্ষায় বৃষ্টির পানি পড়ে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে দলিলপত্র নষ্ট হচ্ছে এবং ভবনের ছাদের পলেস্তারা নিয়মিত খসে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে। অফিসটি ভাড়ায় অন্যত্র স্থানান্তর করা প্রয়োজন।
ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা শুভাশিষ বোষ বলেন, জেলা রেজিস্ট্রার থেকে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে চিঠি দেয়নি। তাই এ নিয়ে কোনো কেস ফাইল না হওয়ায় ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি। জেলা রেজিস্ট্রার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিভিন্ন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ভূমি অধিগ্রহণের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করব। কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার আশরাফুজ্জামান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে কাগজপত্র দেখে কী করা যায়, দ্রুত সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
