আসামিদের গ্রেফতারে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে পুলিশ

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২০, ২২:১১

কুমিল্লায় যুবলীগ কর্মী হত্যাকাণ্ড

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা নগরীর চৌয়ারা এলাকায় যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের চার দিন পেরিয়ে গেলেও মামলার ২৪ জন আসামির মধ্যে ৯ নম্বর আসামি ছাড়া শনিবার পর্যন্ত অন্য আসামিদের কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে পুলিশ বলছে, কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ঘাতকদের গ্রেফতারের জন্য একাধিক টিমের অভিযান চলছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের মোবাইল কল লিস্ট পর্যালোচনা করে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে শনিবার বিকালে নিহত জিল্লুরের চৌয়ারা গ্রামের বাড়িতে কুলখানি ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে দলের নেতাকর্মী, বন্ধুবান্ধব ও এলাকার লোকজনসহ নিহতের স্বজনরা অংশ নেন। এ সময় বাড়িতে পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কুলখানি পরিণত হয় শোকসভায়। কুলখানিতে অংশ নেওয়া লোকজন অবিলম্বে ঘাতকদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মামলার বাদী ও নিহতের ছোট ভাই ইমরান হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘গত বুধবার প্রকাশ্যে আমার ভাবির সামনে ভাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার রাতে পুলিশ কাদের নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। অন্য আসামিদের চার দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনার পর আমার বৃদ্ধ মা পুত্রশোকে পাগলের মতো হয়ে পড়েছেন। আমরা খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসি চাই।’ পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, আসামিদের গ্রেফতার কিংবা তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকলেও পুলিশ বসে নেই, তদন্তে অনেক অগ্রগতি আছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার অভিযুক্ত আসামিরা ছাড়াও বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির মোবাইল ফোনের কল লিস্ট পর্যালোচনা করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। শনিবার বিকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই খালেকুজ্জামান বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অনেক তথ্য খুঁজে বের করা হচ্ছে, পাশাপাশি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজিম উল-আহসান জানান, ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে আমরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছি।’