সড়কপথের নিরাপত্তা

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:২৪

সড়কপথে কে কার আগে যাবে—এই প্রতিযোগিতা লেগেই আছে বাসচালকদের মধ্যে। দুই বাসের মাঝখান দিয়ে মোটরসাইকেল চলছে। বাসচালক বেখেয়াল হলে ঘটে যেতে পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এই দুর্ঘটনা রুখবে কে? কেই বা নেবে এর দায়দায়িত্ব? ট্রাফিকের দেখাই তো মেলে না সহজে। মোটরসাইকেল চালকের আক্কেল-জ্ঞানের বলিহারি! দেখা যায়, ফুটপাতের ওপর অবলীলায় মোটরসাইকেল উঠিয়ে নির্বিকার চালিয়ে যাচ্ছে চালক। মোটরসাইকেলঅলা কখন যে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বসবে তা কেইবা বলতে পারে। কোনো অবস্থাতেই বদলাচ্ছে না তাদের বেপরোয়া ভাবভঙ্গি। যেখানে সেখানে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানোর মতো বেআইনি কাজ চলছেই। বাস রাস্তার মধ্যখানে দাঁড় করিয়ে পেছনে আসা বাসগুলির গতি রোধ করছে—এ চিত্রেরও অবসান হয়নি এখন পর্যন্ত। এ কারণে সৃষ্টি হচ্ছে অনাবশ্যক যানজট। এ অবস্থা চলতে থাকলে সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে কিভাবে? যাত্রীরা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েই চলছে যে যার গন্তব্যে। আসলে ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ যদি আইনের মধ্যে থেকে কাজ করেন তাহলে কেউই বেপরোয়াভাবে যানবাহন চালাতে সাহস পাবে না। প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ কঠোর থেকে কঠোরতর হলে সড়কপথে মানুষের নিরাপত্তা রক্ষিত হবে। সড়ক আইন অমান্যকারীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। আরেকটা কথা না বললেই নয়—অনেক রাস্তা খানাখন্দকপূর্ণ। এসব রাস্তায় যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলে। এ অবস্থায় আমরা চাই চলাচলের অযোগ্য প্রতিটি সড়ক এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কচি কচি শিশুরা যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছে সেই পথ ধরে ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ এগোলেই সড়ক দুর্ঘটনা থেকে যাত্রী ও পথচারীরা রক্ষা পাবে।

লিয়াকত হোসেন খোকন, রূপনগর, ঢাকা