সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে কানাডা প্রবাসীকে মারধর করে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গতকাল রবিবার দুপুরে সাইনবোর্ড এলাকায় অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসের নিজস্ব ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ঐ প্রবাসীর তিন মাস বয়সি মেয়ের পাসপোর্ট করাতে অফিসে আসলে আবেদন নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে অফিসের ভেতরেই তাকে মারধর করা হয়। পরবর্তী সময়ে অফিসের কর্মকর্তারা হামলাকারী আখ্যা দিয়ে কানাডা প্রবাসী আজমল হোসেনকে (৩২) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম।
পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান জানান, রবিবার বেলা ১২টার দিকে আজমল হোসেন তার তিন মাস বয়সি মেয়ে আলিজে মাহনুর হোসেনের পাসপোর্ট করতে আসেন। তার আবেদন সত্যায়িত ও টাকা জমা দেওয়ার ব্যাংক ড্রাফট রশিদ না থাকায় তাকে এগুলোসহ আবেদন করতে বলা হয়। তখন তিনি উত্তেজিত হয়ে অফিসের গ্লাস ও কম্পিউটার ভাঙচুর করেন। এ সময় ভাঙা গ্লাসের আঘাতে কম্পিউটার অপারেটর মো. মহসিন ইসলাম রক্তাক্ত জখম হয়। তাকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে চিকিত্সা প্রদান করা হয়েছে। আটককৃত আজমল হোসেন নারায়ণগঞ্জ শহরের ৫৩, উত্তর চাষাঢ়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি কানাডা প্রবাসী ও সেদেশের নাগরিক। ছুটিতে দেশে এসেছেন। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আবার কানাডায় চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে কানাডা প্রবাসী আজমল হোসেন বলেন, আমার আবেদনে কিছু ভুল থাকলে তা ভালোভাবে না বলে আমার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে সহকারী পরিচালক। আমার আবেদন ছুড়ে ফেলে দিলে বাগিবতণ্ডা হয়। তখন অফিসের লোকজন আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
