রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদের বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদের দোকান বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত কাজ করেছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কে.এম আলী আজম। তদন্তকালে তিনি অভিযোগকারী ও অভিযুুক্তসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শোনেন এবং কাগজপত্র পর্যালোচনাপূর্বক সকলের স্বাক্ষর গ্রহণ করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি তদন্ত শেষ করেছি। যেটা পেয়েছি সেই অনুসারে অতি দ্রুত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দিব। উপজেলার ১০জন চেয়ারম্যানের বক্তব্য নিয়েছি। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নির্বাহী প্রকৌশলী, সমাজ সেবা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছি এবং নথিপত্র দেখেছি।
অভিযাগকারী একই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ হেনা মুন্সী বলেন, ফরিদ হাসান বিধি বহির্ভুতভাবে উপজেলা পরিষদের জায়গায় মার্কেট করে আত্মীয়-স্বজনসহ পরিচিতদের মাঝে দুর্নীতির মাধ্যমে ১০০টির বেশি দোকান বরাদ্দ দিলেও পরিষদের রেজুুলেশনে উল্লেখ আছে মাত্র ১৩টির। অন্যদিকে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট স্বাক্ষ্য প্রদানকারী কলিমহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বলেন, ফরিদ হাসান পাংশা বাজারের জমি যেভাবে নিজের আত্মীয়-স্বজনের নামে লিখে দিয়েছেন তা নজিরবিহীন। দুুর্নীতির বিষয়গুলো আমরা ১০ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিখিতভাবে দিয়েছি। এছাড়া পাংশা মাছ বাজার ও কাঁচা বাজারের সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান তার আত্মীয় গার্লস কলেজের অধ্যাপক আব্দুল মান্নানকে অবৈধভাবে দোকান দিয়েছেন। অথচ তিনি কোন ব্যবসায়ী নন। তবে আব্দুল মান্নান বলেছেন, পাংশা বাজারের জমির একটি অংশের অংশীদার হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে এই দোকান দিয়েছেন। তবে অভিযোগের তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদ হাসান ওদুদ কোন কথা বলতে রাজী হননি।
