মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণকাজ ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা এবং এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক সহায়তায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। গতকাল সোমবার মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের নির্মাণকাজের শুরুর প্রাক্কালে জাপানের নিপ্পন কোয়েইর উপদেষ্টা টিমের সঙ্গে কিক-অফ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আবুল কালাম আজাদ এ কথা জানান।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বন্দরের উত্পাদনশীলতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছার পরিপ্রেক্ষিতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল এবং বে-টার্মিনাল নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে। জাইকার অর্থায়নে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণকাজ ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এতে একটি কনটেইনার টার্মিনাল এবং একটি মালটি পারপাস টার্মিনাল নির্মিত হবে। ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার কনটেইনারবাহী মাদারভেসেল সহজে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটিতে ভিড়তে পারবে যা বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়া সম্ভব হয় না। চট্টগ্রাম বন্দরের আওতাধীন মাতারবাড়ী বন্দরে বছরে পর্যায়ক্রমে ৮ লাখ থেকে ১৪ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
