পদ্মা সেতুর ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের নকশার যে জটিলতা ছিল অবশেষে তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হলো সেতুটি। এখন আর বড় কোনো সমস্যা নেই বলে মনে করছে সেতু কর্তৃপক্ষ। সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান এই দু’টি পিলারের পাইল বসানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপাতত আর বড় কোনো সমস্যা নেই। ষষ্ঠ স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে জানুয়ারি মাসেই বসানো হবে।
জানা যায়, পদ্মা সেতুর ৬ ও ৭ নম্বর পিলারে তিনটি করে মোট ছয়টি পাইলের বটম সেকশনের কাজ করা হয়। কিন্তু এসব পাইল বসাতে গিয়ে নদীর তলদেশে নরম মাটির স্তর পাওয়া যায়। তখন দুটি পিলারের ছয়টি পাইলের টপ সেকশনের কাজ বন্ধ রাখা হয়। মাওয়া প্রান্তে কাজ বন্ধ রেখে জাজিরা প্রান্তে কাজ শুরু হয়। পরে ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ২৬, ২৭, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২ ও ৩৫ এই ১২টি পিলারের পাইল বসানোর সময় মাটির স্তরে কাদামাটি পাওয়া যায়। সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করে ব্রিটিশ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাউই (COWI) ইউকে লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির বিশেষজ্ঞরা মাটি পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করেন। আগের নকশা অনুযায়ী এই ১৪টি পিলারের পাইলের সংখ্যা ছিল ৮৪। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী, কাদামাটির পরই শক্ত মাটি না পাওয়ায় পদ্মা সেতুর ১৪টি পিলারের মধ্যে পাইলের সংখ্যা একটি করে বাড়ানো হয়। অন্যদিকে এসব পিলারে খাঁচ কাটা পাইল বসিয়ে বিশেষ ধরনের সিমেন্টের মিশ্রণে নরম মাটি শক্ত করা হয়।
