>> জাহিদ হাসান দিপু
মেধাবী প্রজন্মকে কর্পোরেটের জন্য দক্ষ কর্মজীবী তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছেন ইনস্টিটিউট অফ প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামস (আইপিডিপি ট্রেনিং)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম শিহাব উদ্দিন। শিহাব উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে কোম্পানিতে মধ্যম ও উচ্চ পদের দক্ষ কর্মজীবীর সংকট চলছে। এই কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে বেশি বেতনে উচ্চ পদস্থ কর্মচারী নিয়োগ দিচ্ছে। আমাদের দেশে প্রতি বছর অনেক স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর বেকার যুবক/যুবতী বের হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে। এই জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সফট স্কিল এবং হার্ড স্কিলের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করি।
করোনা মহামারির কারণে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় অনেক শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও কর্মজীবীরা বাসায় বসে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন। আর তখন আইপিডিপি অনলাইনে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করে। অল্প খরচে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের জন্য অনেকগুলো প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে শেষ করা হয়েছে। আমরা কমপক্ষে ৫০০ প্রশিক্ষণার্থীকে প্র্রশিক্ষণ প্রদান করেছি। এখন আমরা অনলাইন এবং অফলাইনে প্রশিক্ষণ সেবা প্রদান করা যাচ্ছি।
আমরা ইনকাম ট্যাক্স, ভ্যাট, সাপ্লাই চেইন, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, হিউমান রিসোর্স, এক্সেল, ব্যাংকিং এলসি, হেলথ সেফটি, ফায়ার সেফটি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল উন্নয়ন বিষয়ক বিষয়ের ওপর ট্রেনিং করিয়ে থাকি। প্রসঙ্গত, সফট স্কিল ট্রেনিং গড়ে তুলতে পারে একজন দক্ষ চাকুরীজীবী—যারা কাজ করবে প্রতিষ্ঠান ও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আইপিডিপি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো, প্রশিক্ষণ নিতে আসা সবাইকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করা, যেখানে ব্যবসা মূল উদ্দেশ্য নয়; আসল উদ্দেশ্য হলো চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উপযুক্ত করা এবং সঠিক দিক-নির্দেশনা ও ট্রেনিং দেওয়া।
কোর্সগুলোর মাধ্যমে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ গাইড লাইন দিয়ে প্রত্যেক চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীকে যথাযথভাবে তৈরি করতে সংকল্পবদ্ধ। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি অদক্ষ কর্মীকে দক্ষ কর্মীতে রূপান্তর করা। আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সফট স্কিল ও হার্ড স্কিল বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন— www.ipdpbd.com এই ওয়েবসাইটে।
