সাভারে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণ করেছে এক ব্যক্তি। অন্যদিকে বগুড়ার শেরপুরে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এছাড়া ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুই ছাত্রকে বলাত্কারের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে। স্টাফ রিপোর্টার, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
ইত্তেফাক রিপোর্ট :সাভারে বিয়ের প্রলোভনে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগে এক গার্মেন্টস শ্রমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম নাহিদ মিয়া (৩০)। গতকাল শনিবার সকালে সাভারের উলাইলের কর্ণপাড়া এলাকার ভাড়াবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নাহিদ কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থানার রুটি গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে।
সাভার থানা পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। নাহিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, শেরপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছে এক ব্যক্তি। ঐ গৃহবধূ বাদী হয়ে গতকাল শনিবার থানায় মামলা করেন। মামলায় উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের মহিপুর (পিসিভাটা) এলাকার আফছার আলীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলামকে (৪৫) অভিযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ এখনো সাইফুলকে গ্রেফতার করতে পারেনি। শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম আব্দুল কালাম আজাদ বলেন, মামলা নেওয়া হয়েছে। সাইফুলকে গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের করফুলেন্নেসা এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থীকে বলাত্কারের ঘটনায় মো. বাকী বিল্লাহ মানিক নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে শুক্রবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মানিক সহনাটী ইউনিয়নের মানিকরাজ গ্রামের আজিম উদ্দিন মাস্টারের পালিত পুত্র।
পুলিশ জানায়, গত এক সপ্তাহ ধরে ঐ মাদ্রাসার দুই শিশুকে কয়েক বার বলাত্কার করেছে। এ ঘটনায় গৌরীপুর থানায় মামলা হয়েছে। গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বোরহান উদ্দিন জানান, মানিককে গ্রেফতারের পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঐ শিক্ষক তিন পুত্র ও দুই কন্যার জনক।
