শেরপুরে টেন্ডারের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:২০

টেন্ডারের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বগুড়ার শেরপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের গাড়ীদহ দশমাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাফিজার রহমান টিটু ও সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ বাঁধে।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক বুলবুল ইসলাম জানান, চাঁদা দাবি ও ভাঙচুরের অভিযোগে মতিউর রহমান মতিসহ ১২জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন হাফিজার রহমান টিটু। 

মামলার বাদী উপজেলার গাড়ীদহ দড়িপাড়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা হাফিজার রহমান টিটু জানান, তিনি বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) তালিকাভুক্ত একজন ঠিকাদার। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি সুনামের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গেল ১৫-২০দিন আগে টেন্ডারের মাধ্যমে আরডিএ’র একটি পুরাতন ভবন সংস্কারের কাজ পান। এ খবর পেয়ে গাড়ীদহ ইউনিয়ন (পশ্চিম) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাড়ীদহ মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুল মোমিন মুন্সীর ছেলে মতিউর রহমান ওরফে মতি তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। নইলে প্রাণনাশের হুমকি দেন। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করায় ঘটনার রাতে মতিউর রহমানের নেতৃত্বে অজ্ঞাত ৭-৮জন ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার ঠিকাদারি কার্যালয় ও এনজিও ফ্রেন্ডস ডেভলমেন্ট অর্গানাইজেশনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এমনকি সেখানে রক্ষিত লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়ে ক্ষতি সাধন করে।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা মতিউর রহমান মতি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, টেন্ডার সমঝোতার টাকা চাওয়ায় হাফিজুর রহমান টিটুই আমাকে প্রথমে ধাক্কা দেয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আমি কারো অফিসে হামলা-ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নই।