ধর্ষণের শিকার শিশু ট্রমাটাইজড, গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্ত

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:২৬

স্থানীয় মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী শিশুটি (১১)। বাবা মা তৈরি পোশাক কারখানার কর্মী। প্রতিদিন তাকে ঘরে রেখে তারা কারখানায় চলে যান। এরই সুযোগে ওই বাসার কেয়ারটেকার শাজাহান সিকদার (৫০) শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

২১ নভেম্বর রাজধানীর রূপনগরের এ ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। ধর্ষণের শিকার হয়ে অসুস্থ শিশুটিকে চিকিৎসা শেষে তিন দিন আগে বাসায় নিয়ে এসেছে। শিশুটি মানসিকভাবে আতংকের মধ্যে রয়েছে। সে এখন কাউকে দেখলেই ভয় পায়। পুলিশ বলছে, শিশুটি ট্রমাটাইজড হয়ে গেছে। 

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রূপনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২১ নভেম্বর সকাল ১১টার দিকে রূপনগরের ৭ নম্বর রোডের টিনশেড ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ির কেয়ারটেকার শাজাহান সিকদার (৫০) শিশুটিকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে যায়। ততক্ষণে শাজাহান সিকদার পালিয়ে যায়। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ওইদিন সন্ধ্যায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি’তে ভর্তি করা হয়। 

ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রূপনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় শাজাহান সিকদার ও তার স্ত্রী শিল্পী বেগমকে আসামি করা হয়। পুলিশ শিল্পী বেগমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। 

এদিকে শিশুটির মা জানিয়েছেন, চিকিৎসা শেষে ৩০ নভেম্বর তার সন্তানকে বাসায় আনা হয়েছে। শিশুটি এখনও আতংকে রয়েছে। ৪০/৫০ বছর বয়সের কোনো পুরুষ মানুষ দেখলেই চিৎকার করে আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়ে।

রূপনগর থানার ওসি বলেন, অভিযুক্ত শাজাহান সিকদার স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য ছিলেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য ঢাকার বাইরে ফেনী ও কুমিল্লায় অভিযান চালানো হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ