মা-বাবার দেওয়া শরীরে ট্যাটু আঁকাআঁকি মানে তাদের অসম্মান করা। যে কারণে ট্যাটুকে একেবারেই ভাল চোখে দেখেন না জাপানিরা। তাই প্রকাশ্যে নগ্নতা এবং সাপ খেলার মতো ট্যাটুও নিষিদ্ধ জাপানে সেই ১৮০০ সাল থেকে। ১৯৪৮ সালে মার্কিন সেনাদের হস্তক্ষেপে আইনি নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও ট্যাটুর প্রতি নাগরিকদের ধারণা তেমন পরিবর্তন হয়নি। যদিও সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে এই অমূলক কুসংস্কারের বেড়াজাল ভাঙার চেষ্টা করছেন নতুন প্রজন্মের অনেকেই। জাপানে ট্যাটুকে তাচ্ছিল্য করলেও এখানকার ট্যাটুশিল্পীদের নাম অবশ্য বিশ্বজোড়া। জাপানে কমপক্ষে তিন হাজার ট্যাটু শিল্পী রয়েছেন। ওসাকার ট্যাটু শিল্পী তাইকি মাসুদা বলেন, ট্যাটুর আইনি স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য আমাদের লড়াই চলছে। এদিকে জাপানে ২০২০ সালে অলিম্পিক ও রাগবি বিশ্বকাপ আয়োজনকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হয় কিনা সেটি দেখতে উদগ্রীব সবাই। — দ্য জাপান টাইমস
