সম্প্রতি ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ প্রদান করা হয়। প্রাণঘাতী করোনা
ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যারা পাহাড়সম প্রতিকূলতা ঠেলে নিজের জীবনে সফল হয়ে সমাজের নারীর অবস্থান দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের একজন ইসরাত খান মজলিশ। তার জীবনযুদ্ধের খানিকটা জানাতে এই আয়োজন—
ইসরাত খান মজলিশ (নারী সংগঠক)
ইসরাত খান মজলিশ পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। শখ করে বছরখানেক আগে টিভিএসের ওয়েগো ১১০ সিসির একটা স্কুটি কেনেন। সব বাধা পেরিয়ে মনের জোরেই শিখে ফেললেন স্কুটি চালানো। ইসরাত স্কুটি হাঁকিয়েই প্রতিদিন টিকাটুলী থেকে বারিধারা ডিওএইচএসে এসে অফিস করেন। হঠাত্ করেই তার মাথায় বুদ্ধিটা এলো নারী বাইকারদের জন্য একটা ক্লাব করার। এভাবেই ইসরাতের হাত ধরে ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করল Bangladesh Women Riders Club। ক্লাবটি বিনা খরচেই নারীদের মোটরবাইক চালানোর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ক্লাবটি চালু করার পর নারী বাইকারদের প্রতি বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা কমেছে বলে মনে করেন ইসরাত। এই বাইকের গতির ভেতরেই নারী বাইকাররা খুঁজে নিচ্ছেন জীবনের ছন্দ, শিখে নিচ্ছেন জীবনের চড়াই-উতরাই।
