গুল তৈরির দুটি মূল উপকরণের একটি হলো তামাক পাতার গুঁড়া এবং অন্যটি চুনের ফাকি। তামাক পাতার গুঁড়াতে নিকোটিন থাকে। নিকোটিন বিষাক্ত তৈলাক্ত পদার্থবিশেষ। এটি মানুষের শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টির উচ্চ ঝুঁকি বহন করে। এক মাত্রার গুলে ৪.১ গ্রাম নিকোটিন থাকে, সিগারেটে থাকে ১ গ্রাম। আর চুনের ফাকিতে থাকে প্যারা অ্যালন ফেনল নামক বিষাক্ত কেমিক্যাল। এটি মানুষের মুখে ঘা সৃষ্টি করে, যা পরবর্তী সময়ে ক্যান্সারে রূপ নেয়। অর্থাত্ নিকোটিন ও প্যারা অ্যালন ফেনল—এ দুটি বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা তৈরি গুল হয়ে ওঠে আরো ভয়ঙ্কর বিষাক্ত। অতএব এটি নিঃসন্দেহে মরণব্যাধি ক্যান্সার রোগের বাহক। গভীর উদ্বেগের বিষয়, গুল বিক্রেতাদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে জনসংখ্যার একটি বৃহত্ অংশ দাঁতের মাজন ও দাঁতের ব্যথা উপশমের ওষুধ হিসেবে সস্তা ও সহজলভ্য প্রাণঘাতী গুল ব্যবহার করছে। তাদের কাছে গুল নেশার সামগ্রী। দিন-রাতে কয়েকবার গুল ব্যবহার বা সেবন না করে তারা থাকতে পারে না। এবং তাদের অনেকেই মুখে ও গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করছে। তাই কঠোর হস্তে গুলের উত্পাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারকে আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।
হাজী মো. আলী বশির
৮৮/৮৯ আগাসাদেক রোড,
মাহবুব আলী
৪১ আবদুল হাদী লেন,বংশাল, ঢাকা
