১৪ চীনা কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:২৭

চীন-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব হ্রাস পাওয়ার পরিবর্তে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। কয়েক দিন আগে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব বেশ আলোচনার ঝড় তুলেছিল। এবার হংকংয়ে ভিন্নমত দমনে চীনের ভূমিকার কারণে দেশটির ১৪ কর্মকর্তার ওপর অর্থনৈতিক এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চীন এর জবাবে কূটনীতিককে তলব করে পালটা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস স্ট্যান্ডিং কমিটির (এনপিসিএসসি) ভাইস চেয়ারপারসনও। এনপিসিএসসির বিরুদ্ধে হংকংয়ের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি পছন্দের সক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। হংকংয়ের বেইজিং-সমর্থিত সরকার গত মাসে ভিন্নমত দমনে চীনের দেওয়া নতুন ক্ষমতাবলে বিচার বিভাগ থেকে চার বিরোধীদলীয় সদস্যকে বহিষ্কার করেছে। এর প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি বিরোধীদলীয় আইনপ্রণেতারা। পশ্চিমা দেশগুলোও হংকংয়ের এ পদক্ষেপে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ১৪ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষিদ্ধ হওয়াসহ দেশটিতে তাদের সম্পদ জব্দ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানির সঙ্গে তাদের লেনদেনও নিষিদ্ধ থাকবে। বিদায়ি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মেয়াদের এই শেষ সময়ে এসেও বেইজিংয়ের ওপর চাপ বহাল রাখার নীতি নিয়েছে।

এদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঝেং ঝেগুয়াং যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানিয়েছেন। চীন এই নিষেধাজ্ঞার জবাবে একই রকম পালটা পদক্ষেপ নেবে।