জিন্নাহ খানের ইউটিউব চ্যানেল

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:০৯

র ফি কু ল  ই স লা ম

 

২০০১ সালে ‘বান্ধবী রে কেনো চলে গেলে’ শিরোনামের একটি একক অডিও অ্যালবামের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নিজেকে মেলে ধরেন জিন্নাহ খান। একই বছরে বাংলাদেশ টেলিভিশনে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়ে নিজের মেধা ও পরিচিতিকে তুলে ধরেন দেশব্যাপী। অল্প সময়েই জিন্নাহ খান আলোচিত হয়ে ওঠেন সংগীতাঙ্গনে। একে একে প্রকাশ পায় তার ৪টি একক অ্যালবাম। স্বীকৃতি হিসেবে দেশ-বিদেশে অর্জন করেন বাচসাস, সিজেএফবি, বিএএম (ইউএসএ), এডব্লিউ (কানাডা) অ্যাওয়ার্ড।

জিন্নাহ খান ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বসবাস করছেন। সেখানে থেকে তিনি মিশিগান, শিকাগো, নিউইয়র্ক, ইন্ডিয়ানাপলিশ ও কানাডাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মঞ্চে গান পরিবেশন করে বাংলা সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলা গানের।

সময়ে স্কুল, কলেজ পর্যায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতায় নিয়মিত গান গাইতে শুরু করেন। উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সংগীতে তালিম নেন টাঙ্গাইলের ওস্তাদ আনন্দ চক্রবর্তী, সিলেটের ওস্তাদ রাম কানাই দাস ও ভারতের ওস্তাদ মসরুর আলী খানের কাছে। জিন্নাহ খান উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সংগীতে তালিম গ্রহণ করলেও সকল ধরনের গানেই রয়েছে তার সমান পারদর্শীতা। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি গজল ও স্যাড মেলোডি গান গাইতে বেশি পছন্দ করেন। কর্মসূত্রে জিন্নাহ খান ছিলেন এলজিইডির একজন কর্মকর্তা। বদলির চাকরিজীবনে তিনি বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করেন। ১৯৯৯ সালে সিলেটে অবস্থানকালে সিলেট সংগীত পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত সিলেট জেলা অডিটরিয়ামে তার একটি একক সংগীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সংগীত সন্ধ্যায় জিন্নাহ খানের গজল ও মেলোডি গানের মুগ্ধতায় অভিভূত হন সিলেটের সংস্কৃতিপ্রেমীরা। সকলের প্রশংসায় মনোবল বেড়ে যায় তার। সেই থেকেই আধুনিক গানের পাশাপাশি বিভিন্ন স্টেজে গজলসহ জিন্নাহ খানের বহুমাত্রিক গানে মুগ্ধ হতে থাকেন সংগীতপ্রিয়রা। বর্তমানে আমেরিকা থেকেই নিজের নতুন গানের কাজ শুরু করেছেন তিনি। সম্প্রতি জনপ্রিয় সুরকার ইথুন বাবুর সুর ও সংগীতে জিন্নাহ খান নতুন কিছু গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। সেই গানগুলো মিউজিক ভিডিও হয়ে কিছুদিনের মধ্যেই ‘জিন্নাহ খান ইউটিউব চ্যানেল’-এ মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন এই শিল্পী।