রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভার থেকে জ্যোতিষ মজুমদার নামে এক ব্যক্তি ৫ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন। পরিবারের মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ হালিম নামে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে হালিম স্বীকার করেন, তিনি জ্যোতিষকে খুন করেছেন। পরে তার দেওয়া ঠিকানা ধরেই ধামরাই থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশটি কয়েকদিন পড়ে থাকায় কুকুর পায়ের একটি অংশ খেয়ে ফেলে। গত বুধবার রাতে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জ্যোতিষ মজুমদার পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রী ছিলেন। গত ১৩ জানুয়ারি তিনি পূজার বাজার করতে সাভারে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। তার পরিবার সাভার থানায় মামলা করলে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে হালিমকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যে ধরেই বুধবার রাতে ধামরাই থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। জ্যোতিষের বাবার নাম সুরেশ মজুমদার। ধামরাই থানার চরসুন্দর গ্রামে তাদের বাড়ি। লাশ উদ্ধারের পর ধামরাই থানা পুলিশ সুরতহাল করেছে। সেখানে তার পায়ের একটি অংশ কুকুর খেয়ে ফেলেছে তার উল্লেখ রয়েছে।
গতকাল দুপুরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকল্যা মর্গে জ্যোতিষের প্রতিবেশী সম্পর্কে কাকা সম্ভু কর্মকারের হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে চাইলে তিনি কিছুই বললেন না। শুধু জানালেন, জ্যোতিষ নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা সাভার থানায় মামলা করেছিলাম। পুলিশ তত্পর হলে হয়ত তাকে বাঁচানো যেত। শেষ পর্যন্ত লাশ উদ্ধার করল পুলিশ।
