কক্সবাজারের টেকনাফে শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জার্মানির রাষ্ট্রদূত। শেষে তিনি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে ক্ষতিগ্রস্ত হোস্ট কমিউনিটির (স্থানীয় জনসাধারণ) সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি তাদের কল্যাণে কাজ করার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টারদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত মি পিটার ফারেন হুলস টেকনাফের অনিবন্ধিত লেদা রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন করেন। সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন এনজিও সংস্থা আনন্দের নির্বাহী পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, এরিয়া ম্যানেজার মোঃ হাসান চৌধুরী, রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর বজলুর রশিদ। শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তিনি পৌরসভায় এলে পৌর মেয়র, কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলরগণ ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন। এরপর ১১টায় পৌরসভার হলরুমে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এতে টেকনাফ পৌরসভার মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম, কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ মনির, মনিরুজ্জামান, আবু হারেছ, হোছন আহমদ, মহিলা কাউন্সিলর নাজমা আলম, কহিনুর আক্তার, দিলরুবা খানম, টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলম বাহাদুর, পৌর সচিব মহি উদ্দিন ফয়েজী, ইঞ্জিনিয়ার জহির উদ্দিন আহমদসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে স্থানীয় লোকজন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ফলে শ্রম বাজার দখল, মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ততা, রাস্তা-ঘাটের ক্ষয়ক্ষতি, খাদ্য সংকট ও আইন-শৃংখলার অবনতির চিত্র তুলে ধরেন।
এর উত্তরে জার্মান রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জার্মান সরকার রোহিঙ্গাদের সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চিন্তা-ভাবনা করছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা সাপেক্ষে রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় মানুষের কল্যাণে কাজ করার আশ্বাস প্রদান করেন।
এরপর তিনি টেকনাফ জেটিঘাট পরিদর্শন করে মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে টেকনাফ ত্যাগ করেন।
