জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া, ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগ কার্যকরভাবে মোকাবিলা এবং অভিযোজনের মাধ্যমে জলবায়ু বিপদ কমাতে নজির সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ। এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ব্র্যাক জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি আয়োজিত ‘বিল্ডিং রেজিলিয়েন্স টু ক্লাইমেট চেঞ্জ থ্রু ক্রাফটসমেনশিপ’ শীর্ষক বই প্রকাশনা ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ধারা বলছে, ঝুঁকিতে থাকা মানুষ অদূর ভবিষ্যতে আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সেই প্রভাব মোকাবিলায় আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করছি। খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ পানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
ব্র্যাকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন কীভাবে জলবায়ু বিপদাপন্ন এলাকার জনগোষ্ঠীকে সহিষ্ণু করে তোলে তা এই গ্রন্থে উপস্থাপন করা হয়েছে। বইটিতে ১৪ জন কারুশিল্পীর জীবনের গল্প আছে, যেখানে উঠে এসেছে কীভাবে তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ওয়েবিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, এমপি। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের উপদেষ্টা ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আইনুন নিশাত, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ডিএফএটি প্রধান কেট স্যাংস্টার প্রমুখ।
