ঢাকার জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পথ বেয়ে অর্জিত স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধুর জন্যই সম্ভব হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সংবিধান প্রদত্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। জাতির পিতার অবমাননা হয় এমন যে কোনো কর্মকাণ্ড যার দ্বারাই সংঘটিত হোক না কেন আমরা সেসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ ব্যাপারে কাউকে আমরা ছাড় দেব না।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা অনুযায়ী জাতি লড়াই সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সংবিধানে তাই যথার্থভাবেই বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করা হলে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে গণ্য হবে। ‘জাতির পিতার সম্মান রাখব মোড়া অম্লান’ এই স্লোগানে আজ থেকে মাঠে নামছি আমরা। যে কোনো মূল্যে বঙ্গবন্ধুর অবমাননাকারীদের প্রতিহত করার ঘোষণাও দেন এই জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, ফরিদপুরে কবি জসীম উদ্দীন হলে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তবে যেসব উপজেলায় অডিটোরিয়াম নেই সেখানে উন্মুক্ত স্থানে সমাবেশ হবে। ফরিদপুরে পুলিশ বাহিনী, দমকল বাহিনীর সদস্যরা কুচকাওয়াজ সহকারে সমাবেশে যোগদান করবেন এবং একইভাবে ব্যারাকে ফিরে যাবেন।
খুলনার জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রদত্ত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আমরা বদ্ধপরিকর। জাতির পিতার অবমাননা কোনোক্রমেই বরদাশত করা হবে না। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, জাতির পিতা এবং বাংলাদেশ একে অপরের সমার্থক। যারা জাতির পিতাকে অপমান ও অবমাননা করবে তাদেরকে যে কোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।
যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, স্বাধীন দেশে জাতির পিতার অবমাননা মেনে নেওয়া যায় না। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে যা করণীয় তার সবই করব।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন, জাতির পিতার সম্মান সমুন্নত রাখার জন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ব আমরা উপেক্ষা করে যেতে পারি না। কোনো চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের কাছে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা মাথা নত করবে না।
স্ব স্ব বিভাগীয় এবং জেলা শহরে একই স্লোগানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। রাতে বিভিন্ন জেলায় খবর নিয়ে জানা যায়, আজকের সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
