সিএম মিরাজুল ইসলাম
সাধারণ জ্ঞান
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস
ইতিহাসের জনক — হেরোডোটাস, গ্রিস।
বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক—থুকিডাইডিস।
ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা — সিন্ধু সভ্যতা।
প্রাচীনকালে পর্যটকদের মধ্যে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আগমন করেছিলেন— চীনা পরিব্রাজক-ফা-হিয়েন।
বাংলা নামের উত্পত্তি পাওয়া যায় যে গ্রন্থে- আইন-ই-আকবরী।
আইন-ই আকবরী বইটির রচয়িতা - আবুল ফজল।
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে যে গোষ্ঠি থেকে— অস্ট্রিক।
আর্য সভ্যতা
সামাজিক ক্ষেত্রে আর্যদের সবচেয়ে বড় অবদান — বর্ণ বা শ্রেণী প্রথার প্রচলন।
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম ছিল — বেদ।
বৌদ্ধ ধমের্র প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন — লুম্বিনী, নেপাল।
গৌতম বুদ্ধ মৃত্যুবরণ করেন — কুশিনগর, ভারত।
মৌর্য সভ্যতা
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম — মৌর্য সাম্রাজ্য।
মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা — চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
চন্দ্রগুপ্তের রাজধানী ছিল — পাটালিপুত্রে।
মৌর্য বংশের পত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন — মহাস্থানগড়।
চানক্যর রচিত বই— অর্থশাস্ত্র।
ম্যাসিডোনিয়ার রাজা গ্রীকবীর আলোকজান্ডার ভারতবর্ষ আক্রমণ করে— খ্রিস্টঃপূর্ব ৩২৭ অব্দে।
সম্রাট অশোক বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন— কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতায়।
গুপ্ত শাসন
গুপ্ত বংশের প্রতিষ্ঠাতা — প্রথম চন্দ্রগুপ্ত।
গুপ্ত রাজবংশের শ্রেষ্ঠ রাজা — সমুদ্রগুপ্ত।
বাংলার সবগুলো রাজ্যকে একীভূত করে শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠন করেন — সমুদ্রগুপ্ত।
প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলা হয় — সমুদ্রগুপ্তকে।
বাংলার মাত্স্যন্যায়ের সময়কাল: ৭ম-৮ম শতক।
মাত্স্যন্যায় শব্দের অর্থ— অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা।
প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ — গুপ্তযুগ।
পাল শাসন :
বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ— পাল বংশ।
পাল রাজবংশ বাংলা ও বিহারে রাজত্ব করেন — প্রায় ৪০০ বছর।
বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন — গোপাল।
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা — গোপাল।
পাল বংশের সর্বশেষ রাজা — মদনপাল।
পাল রাজাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন — ধর্মপাল।
নওগাঁর সোমপুর বিহার নির্মাণ করেন — ধর্মপাল।
দিনাজপুরের ‘রামসাগর দীঘি’ খনন করেন — রামপাল।
পাল শাসনামলে সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত কাব্য — রামচরিতম।
