আগৈলঝাড়ায় ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবাহে পান চাষিরা দিশেহারা

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:২৩

কনকনে শীত, ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবাহের কারণে আগৈলঝাড়ায় বরজের পানে দাগ, শিকড় পচা ও পাতা ঝরাসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে চাষিরা।

রাজিহার গ্রামের পানচাষি সাইদুল খান, আকফাত আলী সরদারসহ অনেকেই জানান, পান বরজের ক্ষতির কারণে গত দুই সপ্তাহ আগে থেকেই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবাহের কারণে পান পাতায় হলুদ দাগ দেখা দিয়েছে, পচে যাচ্ছে পান পাতা, শিকড়ও শুকিয়ে যাচ্ছে। শীত মৌসুমে পানের দাম ভালো থাকলেও পান পেকে যাবার কারণে তারা আর্ধিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তারা জানান, পানের পাতায় বিশেষ করে পাতার নীচের অংশে কালো দাগ হওয়ায় এবং অল্পদিনেই পান পেকে ঝরে পড়ার কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মোকামে আগের চেয়ে কম দামে পান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। বরজ থেকে পান সংগ্রহ করে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবহন এবং বিক্রি পর্যন্ত দু’দিন সময় লাগে। আর এ সময়ের মধ্যে পান পাতা নষ্ট হয়ে য়ায়।

উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, প্রায় সকল ইউনিয়নেই কম-বেশি পান চাষ হলেও এরমধ্যে রাজিহার ইউনিয়নের রাজিহার, কান্দিরপাড়, রাংতা, চেঙ্গুটিয়া, গৈলা ইউনিয়নের গৈলা, সেরাল, পতিহার মুড়িহার এলাকায় বেশি পান চাষ হয়। শীতের সময় আপনাআপনি পান হলুদ রঙ ধারণ করে ঝরে পড়ে। এটা শীতজনিত রোগ। তারপরেও পান পাতায় ছত্রাকের কারণে দাগ পড়ে। এজন্য ছত্রাকনাশক ওষুধ প্রয়োগ করে শীতের হাত থেকে পান বরজ বাঁচাতে খড় বা পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে বরজ ঢেকে বেড়া দিলে চাষিরা ভালো উপকার পাবে বলেও জানান তিনি।