মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, মির্জাপুরে ফেরি করে গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি বিদ্যুত্ সংযোগ দিচ্ছে পল্লী বিদ্যুত্ বিভাগ। জামানত জমাদানের মাত্র পাঁচ মিনিটেই পল্লী বিদ্যুত্ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গ্রাহকের বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের মিটার ও তার সংযোগ দিয়ে ঘরে বাতি জ্বেলে দিচ্ছেন। গ্রাহকদের এখন আর বিদ্যুত্ অফিসে যেতে হচ্ছে না।
টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-১ গোড়াই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) মো. সিদ্দিকুর রহমান এবং এজিএম (ওএনএন) মো. মঞ্জুরুল আলম জানান, এক সময় গ্রাহকদের বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হতো। এখন সে চিত্র একবারেই পাল্টে গেছে। গ্রাহকদের বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুত্ অফিসে গিয়ে যাতে হয়রানির শিকার হতে না হয় সেজন্য অফিসগুলো নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গ্রাহকদের জন্য বসানো হয়েছে হেল্প ডেক্স কর্নার। গ্রাহকরা বিভিন্ন আবেদন, বিদ্যুত্ বিল পরিশোধ, জামানত জমা ও উত্তোলনসহ যে কোনো সেবা এই হেল্প ডেক্স কর্নারের মাধ্যমে বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন এমপি, সভাপতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মির্জাপুরের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুত্ সংযোগ দেওয়া আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। আগামী ৫-৬ মাসের মধ্যে মির্জাপুরকে শতভাগ বিদ্যুত্ ঘোষণা করা হবে।
