সম্পত্তির জন্য ভাই-ভাবি মিলে দেবরকে হত্যা, আদালতে ভাবির স্বীকারোক্তি

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:১৭

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার চররূপদা গ্রামের রিপন হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া ভাবি ফরিদা বেগম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুজ্জামানের  আদালতে তিনি এ জবানবন্দি দেন। 

শৈলকূপা থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম জানান, গতকাল বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) নিহতের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে রিপন হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর পুলিশ বুধবার বিকালে ফরিদা বেগমকে আটক করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের কাছে তিনি স্বীকার করেন, ৯ ডিসেম্বর রাতে সম্পত্তির জন্য তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে দেবরকে হত্যা করেন। তিনি রিপনের পা চেপে ধরেন, আর স্বামী রান্নু গলা টিপে হত্যা করে। হত্যার পর ভিকটিমের পেটে কোপ দেওয়া হয়।। পরে ভোরে লাশ বাড়ির পাশের একটি ডোবাতে পুতে রাখা হয়। ফরিদার স্বামী রান্নু বিশ্বাস ১২ ডিসেম্বর থেকে পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন: বেরোবি শিক্ষকদের জাতীয় পতাকা অবমাননা

উল্লেখ্য, রিপন হোসেন ৯ ডিসেম্বর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এব্যাপারে তার স্ত্রী সোহাগি বেগম পরের দিন শৈলকূপা থানাতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

ইত্তেফাক/এসি