শিতলের গোলে আবাহনীর জয়

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০০

আবাহনী ২ : ১ নোফেল ক্লাব

স্পোর্টস রিপোর্টার

নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবের মতো কাগজে কলমের দুর্বল দলকে হারাতে গিয়ে উল্টো পয়েন্ট হারানোর মত পরিস্থিতিতে চলে গিয়েছিল লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। ভাগ্য ভালো খেলার ৮৭ মিনিটে শিতলের গোল পেয়ে আবাহনী ২-১ গোলে নোফেলকে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে। প্রথমার্ধ ছিল ১-১।

স্বাধীনতা কাপ ফুটবল ফাইনাল হয়েছিল ২৬ ডিসেম্বর। অনেক দিন খেলা হয়নি। নানা অজুহাতে লিগ কমিটি খেলাটা মাঠে গড়াতে পারেনি। গতকাল প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের এগারতম আসর মাঠে গড়িয়েছে। লিগের প্রথম দিনে কাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দর্শক সংখ্যা হাতেগোনা মাত্র কয়েকশ’। শুক্রবার ছুটির দিনে লিগের উদ্বোধন হলো অথচ লিগ কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদীও আসেনি লিগের প্রথম দিনে। ফেডারেশন কাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর একাধিক ফুটবলার ছিলেন চোটের মধ্যে। এদের নিয়ে আবাহনী কাল কোনো রকমভাবে প্রথম খেলাটা উতরে গিয়েছে।

নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব লিগের নবাগত দল। ফেডারেশন কাপ এবং স্বাধীনতা কাপেও আবাহনী ও নোফেল ক্লাব মুখোমুখি হয়নি। তারপরও দুই দল সম্পর্কে দুই দলের ভালো জানা রয়েছে। কিন্তু মাঠের লড়াই বলে কথা। যুদ্ধে না নামলে বুঝা যায় না। আবাহনী যেন যুদ্ধে নেমে বুঝতে পারছে খুব হালকা চোখে দেখা ঠিক হয়নি। অথচ খেলার ৭ মিনিটেই আবাহনী গোলের দরজা খুলে ফেলে। রায়হানের থ্রো থেকে রুবেল মিয়া গোল করেন ১-০। প্রথমার্ধেই সুযোগ বের করে সেই গোল আবাহনীর কাছে ফেরত পাঠিয়ে দেয় নোফেল ক্লাব। ডিফেন্ডার কামরুল হাসান গোল করে নোফেল ক্লাবকে ড্রয়ের সম্ভাবনা দেখান ১-১।

নোয়াখালী ফেনী লক্ষ্মীপুর মিলে নোফেল ক্লাব। অভিজ্ঞতার অভাব থাকলেও এই ফুটবলাররা অনেকেই প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন। তারপরও আবাহনীর পর্তুগীজ কোচ মারিও লেমস একের পর এক খেলোয়াড় পরিবর্তন করে শক্তি বাড়িয়েছেন।  ফরমেশন পরিবর্তন করেছেন। শেষ পর্যন্ত মামুনুল ইসলামকে তুলে নিয়ে ফয়সাল আহমেদ শিতলকে নামিয়ে আবাহনী গোলের দেখা পায়। ৮৭ মিনিটের গোলে জয় পায় আবাহনী ২-১।

ব্রাজিলিয়ানের গোলে

বসুন্ধরার জয়

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রিমিয়ার লিগের নতুন দল বসুন্ধরা কিংস। নবাগত দল হলেও তারা এই মুহূর্তে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল। কাগজে-কলমে শক্তিভারে উঁচুতে স্বাধীনতা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন কাল বড় ম্যাচেও জয় নিয়ে শুরু করল।

বসুন্ধরা কিংস ১-০ গোলে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে হারিয়ে সুন্দর সূচনা করেছে। ৭০ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার মারকোস ভিনিসিউস গোল করেছেন। এই একটা সুযোগই পেয়েছে বলা যায়। গোলের আগ পর্যন্ত বসুন্ধরা কিংস বলার মতো কোনো সুযোগ পায়নি। যেটুকু পেয়েছে সেটা ধরার মতো নয়। বরং শেখ জামাল গোলের সুযোগ তৈরি করেও কাজে লাগাতে না পারা ছিল চরম ব্যর্থতা। কৌশলী বসুন্ধরা কিংস। নিজেদের গোল পোষ্টটাকে সযত্নে আগলে রেখে সময় মতো কোপটা নিখুঁতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন বসুন্ধরার ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার। এমন এক সময় গোল করেছেন যেখানে থেকে শেখ জামালের ফিরে আসার সুযোগও যেন কম। তা না হলে মতিন মিয়া, কোস্টারিকার বিশ্বকাপ খেলা কলিন্দ্রেস যে কয়টি সুযোগ পেয়েছিলেন তা কাজে লাগাতে পারলে স্কোর লাইন বড় হতো। তারপরও এই জয়েই খুশি বসুন্ধরার স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজেন। খুশি এ কারণে যে, প্রথম খেলায় ৩ পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফিরছেন তিনি। 

আজকের খেলা

চট্টগ্রাম আবাহনী ও মুক্তিযোদ্ধা, ৪টা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম।

সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও রহমতগঞ্জ, ৩টা রফিকউদ্দিন ভুঁইয়া

স্টেডিয়াম, ময়মনসিংহ।