আলোচনা সভায় বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বর্তমান বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আগামীতে দেশকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে সেই পরিকল্পনা করতে হবে। এজন্য শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করে শেখ হাসিনা এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চান।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি’ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এ মালেকের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফায়েকুজ্জামান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আশরাফ হোসেন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এ মালেক বলেন, অনেক গণতান্ত্রিক দেশেও নির্বাচন শতভাগ অবাধ হয় না। বাংলাদেশেও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটেনি। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বলতে যা বোঝায় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট সবকিছুই করেছে। পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তারা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায় ও ঘোষণা দেয় রায় মানেন না, পুনর্নির্বাচন দিতে হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খান বলেন, এবারের নির্বাচনে কমিশনের (নির্বাচন কমিশন) কাছে অনিয়মের কোনো অভিযোগ পড়েনি। তাই বলা যায় নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। তবে স্বাধীনতাবিরোধীরা এ নির্বাচনকে মেনে নিতে পারেনি।
