কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের (কুমেক) নির্মানাধীন ভবনে ঢালাইয়ের সময় ছাদ ধসে হতহাতের ঘটনায় গতকাল শুক্রবার প্ল্যানিং কমিশনের দুই সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে নির্মান কাজে অনিয়ম ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ধরা পড়েছে। ফলে ঘটনার পর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন গা ঢাকা দিয়েছেন। স্পাইনাল কর্ড ও পিঠের হাড় ভেঙ্গে মারাত্মক আহত দুই শ্রমিককে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা নিউরো সায়েন্স ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এদের দু’জনকে সম্পূর্ণ সরকারী খরচে চিকিত্সা করা হবে। নির্মান শ্রমিক বজলুর রহমান নিহতের ঘটনায় এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে প্ল্যানিং কমিশনের কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, নির্মান কাজে অনিয়ম ছাড়াও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। লোহার পাইপ দিয়ে ছাদের সাটারিং না করে দুর্বল বাঁশ ব্যবহার করায় ঢালাইয়ের সময় ছাদ ধসে পড়ে হতাহাতের ঘটনাটি ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত টিমও তদন্তকাজ শুরু করেছে। কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আজাদ জাহান জানান, ২০ জানুয়ারীর মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারি কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের নির্মাণাধীন ভবনের গাড়ি বারান্দার ছাদ ধসে শ্রমিক বজলুর রহমান (৬০) নিহত ও অপর পাঁচজন শ্রমিক আহত হন।
